এশিয়ার দেশগুলোয় চালের রফতানি মূল্য আরো কমেছে। কম চাহিদা ও পর্যাপ্ত সরবরাহ খাদ্যশস্যটির দাম কমার পেছনে ভূমিকা রেখেছে বলে জানিয়েছেন খাতসংশ্লিষ্টরা। খবর বিজনেস রেকর্ডার।
বর্তমানে ভারতের ৫ শতাংশ খুদযুক্ত সেদ্ধ চালের দাম টনপ্রতি ৩৭৫-৩৮০ ডলারে নেমে এসেছে, যা ২০২৩ সালের মাঝামাঝি সময়ের পর সবচেয়ে কম। গত সপ্তাহে খাদ্যপণ্যটির দাম ছিল টনে ৩৭৭-৩৮২ ডলার।
দিল্লির একটি আন্তর্জাতিক ট্রেডিং প্রতিষ্ঠানের এক ব্যবসায়ী জানান, আগের মৌসুমে প্রচুর চাল উৎপাদন হওয়ায় বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। রুপির বিনিময় হারও কমেছে। ফলে রফতানিকারকরা দামে ছাড় দিতে পারছেন। এছাড়া বিশ্ববাজারে পণ্যটির চাহিদা এখনো কম।
ভিয়েতনামের ৫ শতাংশ খুদযুক্ত চালের দাম চলতি সপ্তাহে টনপ্রতি ৩৮১ ডলার রয়েছে বলে জানিয়েছে ভিয়েতনাম ফুড অ্যাসোসিয়েশন, আগের সপ্তাহে যা ছিল টনে ৩৮০-৩৯০ ডলার। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে দেশটি সবচেয়ে বেশি চাল রফতানি করেছে ফিলিপাইনে (মোট রফতানির ৪১ দশমিক ৪ শতাংশ)। আইভরি কোস্ট ও ঘানায় রফতানি করা হয়েছে মোট রফতানির যথাক্রমে ১০ দশমিক ৭ শতাংশ ও ১০ দশমিক ৫ শতাংশ। তবে মালয়েশিয়ায় চাল রফতানি ৬১ শতাংশ কমে গেছে।
হো চি মিন সিটির এক ব্যবসায়ী জানান, আগাম চুক্তি পূরণের জন্য কিছু ব্যবসায়ী কৃষকদের কাছ থেকে বেশি দামে চাল কিনছেন। এতে দেশটিতে অভ্যন্তরীণ বাজারে দাম কিছুটা বেড়েছে।
থাইল্যান্ডের ৫ শতাংশ খুদযুক্ত চালের দাম আগের মতোই টনপ্রতি ৩৮০-৩৮৫ ডলারে রয়েছে। ব্যাংককের এক ব্যবসায়ী জানান, ডলারের বিনিময় হার কম থাকায় খাদ্যপণ্যটির দাম বাড়ার কথা। কিন্তু ক্রেতা নেই, তাই ব্যবসায়ীরা দাম বাড়াচ্ছেন না।
অন্যদিকে বাংলাদেশে এবার চালের ভালো ফলন হয়েছে। তবু বাজারে পণ্যটির দাম এখনো বেশি।